Skip to product information
সরিষা ফুলের মধু | Mustard Honey 1kg

সরিষা ফুলের মধু | Mustard Honey 1kg

Tk 750.00
মজুদে আছে
Weight

DESCRIPTION

সরিষা ফুলের মধু প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি যা স্বাস্থ্য ও স্বাদের এক অসাধারণ মিশ্রণ। সরিষা ফুল থেকে সংগৃহীত এই মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ পুষ্টিগুণ, যা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সরিষা ফুলের মধু হলো বাংলাদেশে এখনকার সবচেয়ে বেশি চাষ হওয়া একটি মধু। কারণ এটা সহজলভ্য এবং খরচও কম। তবে এই মধুর ঘ্রাণ একটু তীব্র হয়, মুখে দিলেই সরিষা ফুলের ঘ্রাণ আসে, এবং সোনালি রং এর হয় এই মধু। বাংলাদেশে সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহের সময় সাধারণত নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত।

সরিষা ফুলের মধুর বৈশিষ্ট্য
  • এটি খেতে মৃদু তেতো–মিষ্টি ঘ্রাণ বজায় থাকে।
  • স্বাদে হালকা ঝাঁঝ, ফুলেল–মিষ্টতা ও রিফ্রেশিং গ্লো আছে।
  • এই মধু দেখতে সাধারণত Extra Light Amber রঙের হয়।
  • তবে কিছু দিন পরে জমে যাওয়ার ফলে সাদা রঙের হয়ে যায়।
  • মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে।
  • সরিষা ফুলের মধু ঘন হোক বা পাতলা হোক এটি প্রায়শই জমে থাকে।
  • ঘন-পাতলা এবং তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করে সম্পূর্ণ মধু বা বেশীরভাগ মধু জমে সাদা হয়ে থাকে।
  • ঠান্ডা পরিবেশে বেশি জমে যাবে।

    সরিষা ফুলের মধুর উপকারিতা ও গুণাবলি
  • রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা শরীরকে রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।
  • ফুলের মধু ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • হজমশক্তি বৃদ্ধির জন্য সরিষা ফুলের মধু খাওয়া হয়। খালি পেটে এই মধু খেলে তা পেটের মধ্যে থাকা গ্যাসগুলো বের করে দেয় এবং হজমে সাহায্যে করে।
  • তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি যোগায় এবং ক্লান্তি দূর করে।
  • সরিষা ফুলের মধুর ঝাঁজ ভাব কাশি, সর্দি ইত্যাদি সমস্যা নিরাময় করে।
  • সরিষা ফুলের মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • নিয়মিত সরিষা ফুলের মধু খেলে শরীলের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
  • শরীলের ক্ষত নিরাময়ের জন্য নিয়মিত সরিষা ফুলের মধু খাওয়া হয়।
  • সরিষা ফুলের মধু সাধারণত, হৃদরোগ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, গ্যাস্ট্রিক এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যার জন্য খাওয়া হয়ে থাকে।
  • নিয়মিত খেলে কোলেস্টরল এর মাত্রা কমায় যা হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
  • নিয়মিত সরিষা ফুলের মধু খেলে তা রক্ত পরিষ্কার করে এবং রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।
     ব্যবহারবিধি
  • গরম পানি বা চায়ে চিনির বিকল্প
  • রুটি, পিঠা বা পাউরুটিতে
  • চুলা/ওভেনে বানানো মধু কেক
  • ত্বকে বা চুলে মাস্ক হিসেবে
  • সাধারণভাবে শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী মা ও ডায়াবেটিক রোগীরাও এই মধু পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন। 

    সংরক্ষণ পদ্ধতি
  • মধু রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না। রেফ্রিজারেটরে রাখলে মধুর মধ্যকার গুনাগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
  • কাঁচের জারে বা বোতলে সংরক্ষণ করলে মধু গুণগত মান বেশি ভালো থাকে।
  • মধু কখনোই সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখা উচিত নয়। এটি মধুর স্বাদ এবং গুণাগুণ কমিয়ে দেয়।
  • মধু সংরক্ষণের জন্য শীতল এবং শুষ্ক স্থান নির্বাচন করা উচিত এবং এয়ারটাইট পাত্র ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।